মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

শ্যাম

শ্যাম নাম কে গো
শুধীল
আমারই প্রানের মাঝে!
শ্যাম বিনা বাচিব
কেমনে
মৃন্ময় এ ভুবনে।

মিনতি আমার
হে শ্যাম নাম
ধড়া দাও হে প্রিয়
এই মোর আহবান।।

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

বৃষ্টি ভেজা

বৃষ্টি আমার ভেজা পাখী
আধার রাতের সাথী
চাঁদের মাঝে করছে খেলা
অশ্রু ভেজা
এ দু'টি আখি।

বৃষ্টি আমার ভেজা দুপুর
এক টুকরো রোদ
আকাশ জুড়ে ঘুরছে
আজি মেঘের কলোরব।

বৃষ্টি আমার সাঁঝের মায়া
খেয়া পারের ছায়া
অথৈ বানের
ডাক দিয়ে যায়
ফুল বাগানের কেয়া।

সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

স্বপ্ন পাড়া

স্বপ্নগুলো হয় যদি
রঙিন আভায় ঘেরা
ইচ্ছেগুলো হয় গো যেন
পুষ্পে পুষ্পে জ্বরা।

স্বপ্নগুলো আকাশ ছোঁয়া
ভাসবে রাতে
ধ্রুব তাঁরা
পূর্ণ হবে মনের সারা
স্বপ্নগুলো শয্যাহারা
জাগবে চোখে ঘুমের পাড়া।

নিঃসর্গ চেতনা

নিঃসর্গ যন্ত্রনা কাতর মানুষ

হ্যা, তোমাকেই বলছি

তুমি কি শুধুই নিঃসর্গ?

নাকি ভোরের সোনালী  সূর্য!

 

নিঃসর্গ যন্ত্রনা কাতর প্রকৃতি

হ্যা, তোমাকেই দেখছি

তুমি কি কেবলি বেদনা-বিধুর?

নাকি ভালবাসার অবলিলা!

 

নিঃসর্গ যন্ত্রনা কাতর পৃথিবী

হ্যা, তোমাকেই আবর্তন করছি

তুমি শুধুই দিন-রাত্রির আবর্তন?

নাকি অজস্র মানুষের ভাসমান ভেলা!

 

 

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০০৯

আধশশী

নীল আকাশের মাঝে
উড়ে চলে কত পাখী
তাঁরই এক ফাঁকে
ভাসি উঠেছে
সূর্যদ্বয়ের রাখী।

নীল আকাশের মাঝে
ভাসি চলেছে
ঈষৎ মেঘের ছায়া
কখনও বা গরজি উঠেছে
সরষ পানির ধারা

নীল আকাশের মাঝে
ঘুড়ছে ঘুড়ি’র মায়া
পড়ছে ধরা; বাঁধন হারা যারা,
ছুটছে সবে তুমুল বেগে
সন্ধ্যা বাতির খোঁজে
আধশশী তাই ডুব দিয়ে যায়
সাদা-কালোর রাতে।।

সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০০৮

রাজিটকা

Avgvi GB wi³ Wvwj
w`e †Zvgvwi Z‡i
Zzwg †b‡e wK Avgvq
†Zvgvwi N‡i?

Avgvi GB wi³ Wvwj
f‡i wK †`‡e †Zvgvi `yÕnvZ Lvwb?
Zzwg †b‡e wK Avgvq

cy‡®ú Mvu_v cy®úaby
†ZvgiB dz‡ji evMv‡b †n
অতনু !
Avgvi Rxe‡bi ˆ`b¨ hZ,
Zzwg w`‡qv me NyuPv‡q|

†Zvgvi Rxeb Z‡ii ibR‡qi
Awfhv‡b Zzwg Avgvq wb‡qv,
dzjev‡bi jvj ivR wUKv

Avgvi Kcv‡j Gu‡K w`‡qv||

শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০০৮

কর্মক্ষেত্রে নারী


“এ পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।”
মানুষ সামাজিক জীব। এই সমাজে সুষ্ঠু-সুন্দরভাবে খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীবিকার। আর তাই প্রত্যেকটি প্রাণী বেঁচে থাকার তাগিদে জীবিকা উপার্জনের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট চেষ্টা সাধন করে থাকে। সে শিক্ষিতই হোক আর অশিক্ষিতই হোক। পুরুষ হোক বা নারী, হোক বৃদ্ধ কি বনিতা। নিজের পেটের ক্ষুধা নিজেকেই তো নিবারন করতে হবে। আর তাই আজকাল আমাদের সমাজে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও দেখা যায় জীবিকা উপার্জনের চেষ্টা। কিন্তু আমাদের সমাজের এই শোষিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত নারীরা পিছিয়ে নেই পুরুষদের চাইতে এতটুকু পরিমান। বরং তাঁরা আজ প্রমাণ করেছে- তাঁরা শুধু স্ত্রী, মা, গৃহকত্রী এই ত্রি বেনীর সংযোগের পাশাপাশি তাঁরা অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তা কিংবা স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রেক্ষাপট কিংবা উভয়টি প্রতিষ্ঠার মানসে আজকাল অনেক মহিলা গৃহের বাইরে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের পেশায় যুক্ত হচ্ছে। কেবল শিক্ষিত মহিলারাই বহির্জগতে কাজ করছে না, অল্প শিক্ষিত মহিলারাও তাদের গন্ডির বাইরে এসে কাজ করছে এবং আত্মনির্ভরশীল হচ্ছে। তাই বলা যায় কর্মক্ষেত্রে নারীরাও হতে পারে পুরুষের অর্ধাঙ্গী।